বন্ধুদের
সাহায্যে মটর সাইকেল সরিয়ে উঠে দাড়াতে গিয়ে বুঝতে পারলাম আমার পা ভেঙ্গে
গেছে I সঙ্গে সঙ্গে আমায় কাছের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলো I আমার
বন্ধুরা বাবা মা কে জানালো, পরের দিন সকালে বাবা মা এলেন হাসপাতালে I বাবা
মা আমায় দেখে নিশ্চিন্ত হয়ে গেলেন কারণ তারা ভেবে ছিলেন বড়ো কিছু হয়েছে
I বাবা সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালের বিল জমা করে তার ব্যবসায় ফিরে গেলেন আর মা
আমার সঙ্গেই থেকে গেলেন I বাবা মা সবসময় তাদের ব্যবসা নিয়েই বাস্ত আমার
জন্য তাদের কাছে সময়ই নেই I তাই চত বেলা থেকেই আমার নিজেকে খুবই একা মনে
হয় I
আমার অবস্থা এমন ছিলো যে আমাকে হাত চলা করতে বারণ করা হয়ে ছিলো I আমি সব কিছু বিছানায় করতাম, তাই আমার বিছানার নিচে সবসময় পান, প্রসাব করার পেন, মল তাগ করার পান সব এক সঙ্গে রাখা থাকতো I আর হাসপাতেলের কাপড় এমন ছিলো যেনো মনে হতো আমি উলোন্গয় আছি I সেখানকার নার্সরা এসে চাদর তুলে ফেলত আর আমার নিছে প্রসাব করার পান লাগিয়ে দিয়ে বলত প্রসাব করার জন্য Iআমি খুবই অসস্তি বোধ করতাম তাদের সামনে, কিন্তু আমার কাছে কোনো উপায় ছিলো না I সেই হাসপাতালেই আর এক নার্স ছিলো, তার নাম ছিলো জেন্সী, তার ব্যবহার খুবই ভালো ছিলো I সে সবার সঙ্গে একই রকম ব্যবহার করতো আর সবায়ের সঙ্গে হেসে কথা বলত I সে যখন কাছে থাকতো তখন আমার খুব ভালো সময় কাটত I
খুব কম সময়ের মধ্যে সে আমার মায়ের খুব কাছে চলে এলো I প্রায় দিন সে তার কাজ পুরো করার পর মায়ের সঙ্গে বসে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে গল্প করতো I একদিন মা বললেন অফিসে অনেক কাজ বাকি আছে আর বাবা বিরে যাচ্ছেন ব্যবসার কাজে তাই মাকে তারাতারি ফিরতে হবে অফিসের কাজ সামলানোর জন্য I মা যাওয়ার আগে জেন্সীর সঙ্গে আমার ব্যপারে কথা বলে গেলেন, আর জেন্সী মাকে কথা দিলো মায়ের অনুপস্থিতিতে সে আমার আলাদা ভাবে খেয়াল রাখবে I মা কিছু টাকা আমার হাথে দিয়ে অফিসের কাজের জন্য চলে গেলেন, এবার জেন্সী মায়ের যাওয়ার পর প্রায় সময় আমার সঙ্গে দেখা করতে আসত I
আমার অবস্থা এমন ছিলো যে আমাকে হাত চলা করতে বারণ করা হয়ে ছিলো I আমি সব কিছু বিছানায় করতাম, তাই আমার বিছানার নিচে সবসময় পান, প্রসাব করার পেন, মল তাগ করার পান সব এক সঙ্গে রাখা থাকতো I আর হাসপাতেলের কাপড় এমন ছিলো যেনো মনে হতো আমি উলোন্গয় আছি I সেখানকার নার্সরা এসে চাদর তুলে ফেলত আর আমার নিছে প্রসাব করার পান লাগিয়ে দিয়ে বলত প্রসাব করার জন্য Iআমি খুবই অসস্তি বোধ করতাম তাদের সামনে, কিন্তু আমার কাছে কোনো উপায় ছিলো না I সেই হাসপাতালেই আর এক নার্স ছিলো, তার নাম ছিলো জেন্সী, তার ব্যবহার খুবই ভালো ছিলো I সে সবার সঙ্গে একই রকম ব্যবহার করতো আর সবায়ের সঙ্গে হেসে কথা বলত I সে যখন কাছে থাকতো তখন আমার খুব ভালো সময় কাটত I
খুব কম সময়ের মধ্যে সে আমার মায়ের খুব কাছে চলে এলো I প্রায় দিন সে তার কাজ পুরো করার পর মায়ের সঙ্গে বসে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে গল্প করতো I একদিন মা বললেন অফিসে অনেক কাজ বাকি আছে আর বাবা বিরে যাচ্ছেন ব্যবসার কাজে তাই মাকে তারাতারি ফিরতে হবে অফিসের কাজ সামলানোর জন্য I মা যাওয়ার আগে জেন্সীর সঙ্গে আমার ব্যপারে কথা বলে গেলেন, আর জেন্সী মাকে কথা দিলো মায়ের অনুপস্থিতিতে সে আমার আলাদা ভাবে খেয়াল রাখবে I মা কিছু টাকা আমার হাথে দিয়ে অফিসের কাজের জন্য চলে গেলেন, এবার জেন্সী মায়ের যাওয়ার পর প্রায় সময় আমার সঙ্গে দেখা করতে আসত I
বন্ধুদের
সাহায্যে মটর সাইকেল সরিয়ে উঠে দাড়াতে গিয়ে বুঝতে পারলাম আমার পা ভেঙ্গে
গেছে I সঙ্গে সঙ্গে আমায় কাছের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলো I আমার
বন্ধুরা বাবা মা কে জানালো, পরের দিন সকালে বাবা মা এলেন হাসপাতালে I বাবা
মা আমায় দেখে নিশ্চিন্ত হয়ে গেলেন কারণ তারা ভেবে ছিলেন বড়ো কিছু হয়েছে
I বাবা সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালের বিল জমা করে তার ব্যবসায় ফিরে গেলেন আর মা
আমার সঙ্গেই থেকে গেলেন I বাবা মা সবসময় তাদের ব্যবসা নিয়েই বাস্ত আমার
জন্য তাদের কাছে সময়ই নেই I তাই চত বেলা থেকেই আমার নিজেকে খুবই একা মনে
হয় I
আমার অবস্থা এমন ছিলো যে আমাকে হাত চলা করতে বারণ করা হয়ে ছিলো I আমি সব কিছু বিছানায় করতাম, তাই আমার বিছানার নিচে সবসময় পান, প্রসাব করার পেন, মল তাগ করার পান সব এক সঙ্গে রাখা থাকতো I আর হাসপাতেলের কাপড় এমন ছিলো যেনো মনে হতো আমি উলোন্গয় আছি I সেখানকার নার্সরা এসে চাদর তুলে ফেলত আর আমার নিছে প্রসাব করার পান লাগিয়ে দিয়ে বলত প্রসাব করার জন্য Iআমি খুবই অসস্তি বোধ করতাম তাদের সামনে, কিন্তু আমার কাছে কোনো উপায় ছিলো না I সেই হাসপাতালেই আর এক নার্স ছিলো, তার নাম ছিলো জেন্সী, তার ব্যবহার খুবই ভালো ছিলো I সে সবার সঙ্গে একই রকম ব্যবহার করতো আর সবায়ের সঙ্গে হেসে কথা বলত I সে যখন কাছে থাকতো তখন আমার খুব ভালো সময় কাটত I
খুব কম সময়ের মধ্যে সে আমার মায়ের খুব কাছে চলে এলো I প্রায় দিন সে তার কাজ পুরো করার পর মায়ের সঙ্গে বসে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে গল্প করতো I একদিন মা বললেন অফিসে অনেক কাজ বাকি আছে আর বাবা বিরে যাচ্ছেন ব্যবসার কাজে তাই মাকে তারাতারি ফিরতে হবে অফিসের কাজ সামলানোর জন্য I মা যাওয়ার আগে জেন্সীর সঙ্গে আমার ব্যপারে কথা বলে গেলেন, আর জেন্সী মাকে কথা দিলো মায়ের অনুপস্থিতিতে সে আমার আলাদা ভাবে খেয়াল রাখবে I মা কিছু টাকা আমার হাথে দিয়ে অফিসের কাজের জন্য চলে গেলেন, এবার জেন্সী মায়ের যাওয়ার পর প্রায় সময় আমার সঙ্গে দেখা করতে আসত I
আমার অবস্থা এমন ছিলো যে আমাকে হাত চলা করতে বারণ করা হয়ে ছিলো I আমি সব কিছু বিছানায় করতাম, তাই আমার বিছানার নিচে সবসময় পান, প্রসাব করার পেন, মল তাগ করার পান সব এক সঙ্গে রাখা থাকতো I আর হাসপাতেলের কাপড় এমন ছিলো যেনো মনে হতো আমি উলোন্গয় আছি I সেখানকার নার্সরা এসে চাদর তুলে ফেলত আর আমার নিছে প্রসাব করার পান লাগিয়ে দিয়ে বলত প্রসাব করার জন্য Iআমি খুবই অসস্তি বোধ করতাম তাদের সামনে, কিন্তু আমার কাছে কোনো উপায় ছিলো না I সেই হাসপাতালেই আর এক নার্স ছিলো, তার নাম ছিলো জেন্সী, তার ব্যবহার খুবই ভালো ছিলো I সে সবার সঙ্গে একই রকম ব্যবহার করতো আর সবায়ের সঙ্গে হেসে কথা বলত I সে যখন কাছে থাকতো তখন আমার খুব ভালো সময় কাটত I
খুব কম সময়ের মধ্যে সে আমার মায়ের খুব কাছে চলে এলো I প্রায় দিন সে তার কাজ পুরো করার পর মায়ের সঙ্গে বসে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে গল্প করতো I একদিন মা বললেন অফিসে অনেক কাজ বাকি আছে আর বাবা বিরে যাচ্ছেন ব্যবসার কাজে তাই মাকে তারাতারি ফিরতে হবে অফিসের কাজ সামলানোর জন্য I মা যাওয়ার আগে জেন্সীর সঙ্গে আমার ব্যপারে কথা বলে গেলেন, আর জেন্সী মাকে কথা দিলো মায়ের অনুপস্থিতিতে সে আমার আলাদা ভাবে খেয়াল রাখবে I মা কিছু টাকা আমার হাথে দিয়ে অফিসের কাজের জন্য চলে গেলেন, এবার জেন্সী মায়ের যাওয়ার পর প্রায় সময় আমার সঙ্গে দেখা করতে আসত I
আমার অবস্থা এমন ছিলো যে আমাকে হাত চলা করতে বারণ করা হয়ে ছিলো I আমি সব কিছু বিছানায় করতাম, তাই আমার বিছানার নিচে সবসময় পান, প্রসাব করার পেন, মল তাগ করার পান সব এক সঙ্গে রাখা থাকতো I আর হাসপাতেলের কাপড় এমন ছিলো যেনো মনে হতো আমি উলোন্গয় আছি I সেখানকার নার্সরা এসে চাদর তুলে ফেলত আর আমার নিছে প্রসাব করার পান লাগিয়ে দিয়ে বলত প্রসাব করার জন্য Iআমি খুবই অসস্তি বোধ করতাম তাদের সামনে, কিন্তু আমার কাছে কোনো উপায় ছিলো না I সেই হাসপাতালেই আর এক নার্স ছিলো, তার নাম ছিলো জেন্সী, তার ব্যবহার খুবই ভালো ছিলো I সে সবার সঙ্গে একই রকম ব্যবহার করতো আর সবায়ের সঙ্গে হেসে কথা বলত I সে যখন কাছে থাকতো তখন আমার খুব ভালো সময় কাটত I
খুব কম সময়ের মধ্যে সে আমার মায়ের খুব কাছে চলে এলো I প্রায় দিন সে তার কাজ পুরো করার পর মায়ের সঙ্গে বসে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে গল্প করতো I একদিন মা বললেন অফিসে অনেক কাজ বাকি আছে আর বাবা বিরে যাচ্ছেন ব্যবসার কাজে তাই মাকে তারাতারি ফিরতে হবে অফিসের কাজ সামলানোর জন্য I মা যাওয়ার আগে জেন্সীর সঙ্গে আমার ব্যপারে কথা বলে গেলেন, আর জেন্সী মাকে কথা দিলো মায়ের অনুপস্থিতিতে সে আমার আলাদা ভাবে খেয়াল রাখবে I মা কিছু টাকা আমার হাথে দিয়ে অফিসের কাজের জন্য চলে গেলেন, এবার জেন্সী মায়ের যাওয়ার পর প্রায় সময় আমার সঙ্গে দেখা করতে আসত I
